গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কিছু পরামর্শঃ-
কাঁচা পেপে, অ্যালোভেরা
জুস, আনারস, গাজর খাবেন না।
১/ লাল শাক, আনার, মুরগী, কবুতরের বাচ্চা, শিং মাছ, সামুদ্রিক মাছ, আপেল, লাল মাংস, লাল আটার রুটি এগুলো তে রক্তের পরিমান বৃদ্ধি পায়। শাক-সবজি ছোট মাছ, বাদাম খাবেন। ভাত কম খাবেন যদি ওজন বেশি হয়।
২/ সপ্তাহে ২/৩ দিন নুডুলস, চকলেট, কেক, মিষ্টি খান বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি
পাবে। দৈনিক ডিম, দুধ, হরলিক্স(মাদার), কলা রাখার চেষ্টা করুন।
৩/ নিয়মিত ব্যায়াম করুন, হাঁটুন (Full rest থাকলে ভিন্ন কথা) টুকিটাকি ঘরের কাজ করুন, ভারি কাজ করবেন না, কলস তোলা, কল চাপা, ভাতের পাতিল তোলা, শিল নোড়ায় বাটাবাটি করা, রুটি বানানো, হাড়ি-পাতিল মাজা, কাপড় ধোয়া, বসে কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন,,,,,নিচের দিকে ঝুকে ভুল করেও কিছু করবেন না। এই কাজগুলোতে তলপেটে প্রেসার পড়ে। তাতে করে আপনার নবাগত সন্তানের সমস্যা হতে পারে।
৪/ অনেকের সকালে ব্রাশ করার পর খালি পেটে পানি খেলে বমি হয় পারলে রাতে ব্রাশ করে নিবেন আর সকালে ঘুম থেকে উঠে কুলকুচি করে নিন। খালিপেটে পানি না খেয়ে কিছু খাবার খাবেন। তারপরে পানি খাবেন।
পারলে অল্প অল্প করে সারাদিনে খাবার খাবেন।
৫/ সবার সাথে মিশার চেষ্টা করুন, কথা বলুন, মন ভালো থাকবে। একা থাকলে অনেকের বাজে চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায়।
৬/ এসময়ে মুখে, জিহ্বায় ঘা হয়, আক্কেল দাঁত ওঠে। সাধারনত প্রেগনেন্সি তে ঘা এর ক্রিম এভয়েড করুন ( Dr.এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন)
৭/ এসময়ে পায়ে পানি আসে। শোয়ার সময় পায়ের নিচে বালিশ রাখুন। ঘুমানোর সময় পিঠের পিছনে বালিশ ঠেকা রাখুন আরাম লাগবে। পানির জগ-গ্লাস, টর্চলাইট, কাছে রাখুন।
৮/ রেগুলার চেকাব করাবেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাবেন। বেশি বেশি পান করুন, তরমুজ, ডাবের পানি, ফলের জুস খাবেন। নিয়মিত গোসল করুন, শরীর খারাপ লাগলে পরিবারের সদস্যদের জানান। ঢিলে ঢালা পোষাক পরবেন। স্লিপার পরুন।
৯/ ভুলেও ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না।
আর এই পোস্টে গর্ভবতী মায়েদের ম্যানশন করে জানিয়ে দিন। শেয়ার করে ও সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন।।
৩/ নিয়মিত ব্যায়াম করুন, হাঁটুন (Full rest থাকলে ভিন্ন কথা) টুকিটাকি ঘরের কাজ করুন, ভারি কাজ করবেন না, কলস তোলা, কল চাপা, ভাতের পাতিল তোলা, শিল নোড়ায় বাটাবাটি করা, রুটি বানানো, হাড়ি-পাতিল মাজা, কাপড় ধোয়া, বসে কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন,,,,,নিচের দিকে ঝুকে ভুল করেও কিছু করবেন না। এই কাজগুলোতে তলপেটে প্রেসার পড়ে। তাতে করে আপনার নবাগত সন্তানের সমস্যা হতে পারে।
৪/ অনেকের সকালে ব্রাশ করার পর খালি পেটে পানি খেলে বমি হয় পারলে রাতে ব্রাশ করে নিবেন আর সকালে ঘুম থেকে উঠে কুলকুচি করে নিন। খালিপেটে পানি না খেয়ে কিছু খাবার খাবেন। তারপরে পানি খাবেন।
পারলে অল্প অল্প করে সারাদিনে খাবার খাবেন।
৫/ সবার সাথে মিশার চেষ্টা করুন, কথা বলুন, মন ভালো থাকবে। একা থাকলে অনেকের বাজে চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায়।
৬/ এসময়ে মুখে, জিহ্বায় ঘা হয়, আক্কেল দাঁত ওঠে। সাধারনত প্রেগনেন্সি তে ঘা এর ক্রিম এভয়েড করুন ( Dr.এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন)
৭/ এসময়ে পায়ে পানি আসে। শোয়ার সময় পায়ের নিচে বালিশ রাখুন। ঘুমানোর সময় পিঠের পিছনে বালিশ ঠেকা রাখুন আরাম লাগবে। পানির জগ-গ্লাস, টর্চলাইট, কাছে রাখুন।
৮/ রেগুলার চেকাব করাবেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাবেন। বেশি বেশি পান করুন, তরমুজ, ডাবের পানি, ফলের জুস খাবেন। নিয়মিত গোসল করুন, শরীর খারাপ লাগলে পরিবারের সদস্যদের জানান। ঢিলে ঢালা পোষাক পরবেন। স্লিপার পরুন।
৯/ ভুলেও ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না।
আর এই পোস্টে গর্ভবতী মায়েদের ম্যানশন করে জানিয়ে দিন। শেয়ার করে ও সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন।।


একটি মন্তব্য করুন:
0 মন্তব্য: