গরম দুধে এক চামচ মধু, তারপরই ম্যা’জি’ক!…
গরম
দুধে এক চামচ মধু- বহুকাল আগে থেকেই দু’ধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার
প্রচলন চলে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান। দু’ধের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন
এ, বি, ডি। রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রাণিজ প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড। দু’ধ ও
মধু যখন একসঙ্গে মেশানো হয়, এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে।
জেনে নিন দু’ধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কী কী উপকার পাবেন !
মানসিক চাপ কমায়
গরম দু’ধ ও মধু একসঙ্গে খেলে স্নায়ুর ওপর
ভালো প্রভাব ফেলে। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ বেশি
থাকলে দিনে দুবার এই মিশ্রণ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘুম ভালো করে
দু’ধের মধ্যে মধু মিশিয়ে ঘুমের এক ঘণ্টা
আগে খেলে এটি মস্তিষ্কের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। মধু মস্তিষ্ককে শিথিল করে
এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
হজম ভালো করে
পেট
ফোলা ভাব বা হজমের সমস্যা হলে গরম দুধ ও মধুর মিশ্রণ খেয়ে দেখতে পারেন।
এটি পাকস্থলী থেকে গ্যাস বের করে দিতে সাহায্য করে এবং পেট ব্য’থা কমায়।
হাড়ের জন্য ভালো
দু’ধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। আর মধুর
মধ্যে রয়েছে রো’গ নিরাময়কারী উপাদান। তাই দুধ ও মধুর মিশ্রণ হাড়ের জন্যও
ভালো। এটি হাড়কে শক্তিশালী করে এবং ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।
শক্তি বাড়ায়
সকালবেলা গরম দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে খেলে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সারা দিন শ’রী’রের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
পাকস্থলীর সং’ক্র’মণের সঙ্গে লড়াই
মধুর
মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাকস্থলীর
সং’ক্র’মণের সঙ্গে ল’ড়া’ই করে। তাই পাকস্থলী ভালো রাখতে এই মিশ্রণ খেতে
পারেন।
তারুণ্য ধরে রাখে
মধু ও দু’ধের মিশ্রণ খাওয়া বার্ধক্যের আগমনকে ধীর করে। তারুণ্য ধরে রাখার জন্য এই খাবার শতবর্ষ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মনোযোগ বাড়ায়
মধু মস্তিষ্কে ভালো প্রভাব ফেলে। আর দু’ধ মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। দু’ধ ও মধুর মিশ্রণটি মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
শসায় রয়েছে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।
উপাদান দুটি সোডিয়ামের ক্ষ’তিকর প্রভাব হ্রাস করে উচ্চ র’ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
করে। সবজিটি সৌন্দর্য চর্চায় প্রচুর ব্যবহৃত হয়। সিলিকার একটি চমৎকার উৎস
হওয়ায় শসা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়। এ ছাড়া
এটি হৃদরো’গের জন্যও চমৎকার উপাদান।
শসার
আরেকট বড় গুণ এটি ওজন হ্রাসে সাহায্য করে। নিয়মিত শসা খেলে সহজেই দূর হয়ে
যাবে আপনার পেটের চর্বি। এ কা’রণে বিশ্বব্যাপী পুষ্টিবিদরা শ’রী’রের
ফিটনেসের জন্য শসা খেতে উৎসাহিত করেন। এটি চিবিয়ে ও জুস করে- যে কোনো উপায়ে
খেতে পারেন।
শসার জুস তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :
১। একটি মাঝারি আকারের তাজা শসা
২। দুটি বড় আকারের সেলারি ডাটা
৩। একটি খোসা ছাড়ানো আপেল
যেভাবে তৈরি করবেন জুস:
১। জুসারের ভেতর শসা, সেলারি ডাটা এবং আপেল নিয়ে ব্লেন্ড করুন।
২। গ্লাসে ঢেলে তাজা জুস পান করুন।


একটি মন্তব্য করুন:
0 মন্তব্য: