এই মহামারিতে সবচেয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের,
না পারছে সহ্য করতে, না পারছে সাহায্য চাইতে....
করোনা ভাইরাসের এই মহামারি রোধে চলছে লকডাউন। দেশের সকল কিছু যেন থমকে গেছে। প্রতিটি ঘরের সামনে যেন মৃত্যু অপেক্ষা করছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সকল কর্মস্থল। এ পরিস্থিতে দূর্বিসহ মানুষের পাশে দারাচ্ছে অনেক বৃত্তমান, জনদরদি মানুষেরা। তারা খেটে খাওয়া এই মানুষগুলোর মূখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য প্রাণপন যুদ্ধ করে যাচ্ছে। দেখা গেছে নিম্নবিত্তরা বেসরকারি সংগঠন সহ সরকারি সহযোগীতা পাচ্ছে। কিন্তু চরম অসুবিধায় থাকলেও কাউকে কিছু বলতে পারছেন না মধ্যবিত্তরা। লোক লজ্জার ভয়ে তারা চাপা কান্না কাঁদছেন। না পারছেন সহ্য করতে, না পারছেন কারো কাছে সাহায্য চাইতে। বাসা ভাড়া, সংসার খরচ এসব কিভাবে জুটবে সেই চিন্তায় ঘুম আসে না তাদের।
স্ত্রী ও সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে বিলাপ করা ছাড়া আর পথ খুজে পান না।
নাম বলতে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন- উচ্চবিত্তদের তো আর্থিক সমস্য নাই। তারা স্বাচ্ছন্দে খুব সুখেই ছুটি কাটাচ্ছেন এই ছুটিতে। অপরদিকে
নিম্নবিত্তের লোকজন তো বেসরকারি সংগঠনসহ সরকারি সহযোগীতা পাচ্ছে।
কিন্তু মধ্যবিত্তের কী হবে? আমরা তো কারো নিকট সাহায্য চাইতে পারিনা, লজ্জায়, কেউ তো আমাদের ইচ্ছে করে সাহায্যও করতে আসবে না। আমাদের ঘরের খাবার শেষ হয়ে আসছে। আমরা এখন অল্প
অল্প খাবার খাই। যাতে আর কিছুদিন বেশি আহার করা যায়।
মধ্যবিত্তদের কথা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম গুলোতে উঠে আসছে। একজন ফেসবুকে লিখেছেন- ‘সবাই আমরা ব্যস্ত নিম্ন আয়ের মানুষদের নিয়ে। মধ্যবিত্তদের খবর কেউ নেয় না।” তাই আমরা মনে করি শুধু নিম্নবিত্ত নয়, মধ্যবিত্ত যারা আছে তাদের খুজে দেখতে হবে। যারা কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারে না, যারা নিজে সমস্যায় থেকেও অন্যকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক, এই মহামারীতে তাদের জরিপ করে তাদের ঘরে ত্রান পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত।

একটি মন্তব্য করুন:
0 মন্তব্য: